৭৫ বছর বয়সে প্রয়াত অভিনেতা নানা পটেকর। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ায় নিজের বাসভবনেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ওই দিনই চিকিৎসা সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। পরের দিন, অর্থাৎ শুক্রবার এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে গোয়ার পানাজি পুলিশ। এ বার প্রকাশ্যে এল নানার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসাবে হৃদ্রোগের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। রবিবার গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক চিকিৎসক এই তথ্য জানিয়েছেন। চিকিৎসকের বক্তব্য, হৃদ্যন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী প্রধান ধমনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন অভিনেতা। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হৃদ্যন্ত্রের পেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্বাভাবিক কারণেই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। কোনও অস্বাভাবিকতার কথা উল্লেখ করা হয়নি সেখানে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নানার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর এক বন্ধু ছুটে আসেন এবং অভিনেতার দেখাশোনা যিনি করতেন তিনিও চলে আসেন। তার পরে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকা হয়। এর পর গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয় অভিনেতার আবাসনে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে নানা পটেকরকে সিপিআর প্রক্রিয়া দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি। ভোর ৫টা ১০ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসকদের অনুমান ছিল, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। পরে তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাবার দেহ নিতে গোয়ায় পৌঁছেছিলেন ছেলে মলহার পটেকর। সেখান থেকে আকাশপথে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় পুণেয়। সেখানে দোনজে গ্রামের নিজের খামারবাড়িতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় অভিনেতার। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয় তাঁকে।
হিন্দি ও মরাঠি ছবিতে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করেছেন নানা পটেকর। অভিনেতা হিসাবেই নয়, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসাবে হৃদ্রোগের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। রবিবার গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক চিকিৎসক এই তথ্য জানিয়েছেন। চিকিৎসকের বক্তব্য, হৃদ্যন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী প্রধান ধমনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন অভিনেতা। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে হৃদ্যন্ত্রের পেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রিপোর্ট অনুযায়ী, স্বাভাবিক কারণেই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। কোনও অস্বাভাবিকতার কথা উল্লেখ করা হয়নি সেখানে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নানার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁর এক বন্ধু ছুটে আসেন এবং অভিনেতার দেখাশোনা যিনি করতেন তিনিও চলে আসেন। তার পরে অ্যাম্বুল্যান্স ডাকা হয়। এর পর গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয় অভিনেতার আবাসনে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে নানা পটেকরকে সিপিআর প্রক্রিয়া দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি। ভোর ৫টা ১০ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিক ভাবে চিকিৎসকদের অনুমান ছিল, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে অভিনেতার। পরে তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য গোয়া মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বাবার দেহ নিতে গোয়ায় পৌঁছেছিলেন ছেলে মলহার পটেকর। সেখান থেকে আকাশপথে দেহ নিয়ে যাওয়া হয় পুণেয়। সেখানে দোনজে গ্রামের নিজের খামারবাড়িতে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় অভিনেতার। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয় তাঁকে।
হিন্দি ও মরাঠি ছবিতে চার দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় করেছেন নানা পটেকর। অভিনেতা হিসাবেই নয়, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
তামান্না হাবিব নিশু